নি মা ই জা না র একটি গদ্য- মেথারজিন ও কিছু শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের বরফ

পরিচিতিঃ নিমাই জানা বাবা সুধীর জানা মা দুর্গা রানী জানা ঠিকানা রুইনান , সবং , পশ্চিম মেদিনীপুর জন্মতারিখ কোন এক শিব চতুর্দশীর দিন , কবিতার অক্ষর আর কিছু দ্রাঘিমাহীন নদীর সাথে যাপন ক্রিয়াটি খুব ভালো লাগে। জানিনা কবিতার ভিতর ঈশ্বর প্রতিদিন নৈঋত কথা রেখে যায় কিনা। খুব ভালো লাগে মৃত্যুরও চতুর্থ ডাইমেনশন খুঁজে বের করতে। ঈশ্বরীর সাথে ইছামতি নদী ভ্রমণে গেলে অলৌকিক হয়ে পড়ি আমিও। তারপর হয়তো জ্ঞান থাকেনা। আমি কিছু মৃত শুক্রাণু নিয়ে বেরিয়ে পড়ি ভূমধ্য পাহাড়ের দিকে। আজ কিছু কৃষ্ণ মানুষের কথা হোক। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ছায়ার মূলরোম , নির্জন পুরুষ অসুখ , জিরো কম্পাঙ্কের পেন্ডুলাম , ঈশ্বর ও ফারেনহাইট জ্বরের ঘোড়া।বাইফোকালিজম্-র পাতার আজ তাঁরই  একটি গদ্য।

নি মা ই   জা না র একটি গদ্য

 

মেথারজিন ও কিছু শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের বরফ

বেশ কয়েকদিন কাগজ ফুলের কথাই মনে হচ্ছে আমার ।  কাগজ ঠিক নয় , কাগজের ভেতর জলে ভেজা একটি অসদবিম্ব ঘোড়ার কথা ,  ঘোড়াও ঠিক নয় আগুনের ভিতর আরো অর্ধেক ঝলসে যাওয়া একটি পুরোহিতের কথা , হয়তো পুরোহিত ও নয় , তার পাশে অর্ধমৃত কোন মানুষকে দাহ করে ফেরার পর কাগজের ভেতর দিয়ে থকথকে সাবলিঙ্গুয়াল সদৃশ্য একটি অবয়বের কথা । ঠিক তার অসুখ কোথায় ?  অশোক মানে একটি পদ্ম জানালা ভর্তি সরাইখানা । এখানে অ্যালকোহলিক জীবনচক্র ফেলে ধীরে ধীরে বৈসাদৃশ্য শরীরবিজ্ঞানের একটি নীল রঙের মিষ্টান্ন ভান্ডার কিনে বাড়ি ফেরার পালা ।  আমি তিনটি পোশাকের ভেতর আটকে থাকা এক নারীর কথা বলছি , যার বিভাজিকার ডানদিকে একটি জটিল মাংসপিণ্ড অস্ত্রোপচার বের করে ফেলছি নিজেই , আমি শুধু রক্তপাত বন্ধ করতে পারছিনা কোন মতেই । পরশুরাম ক্ষত্রিয় ধ্বংস করবেন ।

মধ্যপ্রহরের গর্ভাধান নেশায় অন্তরঙ্গ মুহূর্তের পরক্ষণেই হত্যার সব তরোয়াল নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে নেমে পড়ে এক একটি দানব , দানব আর কিছু অশ্বারোহী সমগ্র ,  কামধেনু মুখ থেকে ব্রহ্মাস্ত্র বের করবেন বাহ্যিক কোন ঔষধ খাওয়ার পর ।  নিজের সুখ খোঁজে ডাহুক , সারারাত চুপচাপ বসে থাকি জানালার বাইরে নিজের প্রহরারত ঘোড়াটিকে রেখে  , অথচ শরীর ছিলনা ।
সকলেই আগুন খাচ্ছি , সকলে বাতাস খাচ্ছি , নিজের জিভ সরে যাচ্ছে অথচ অনুর্বর মাটিতে প্রথম বর্ষার জল পাওয়ার পর আমি আরো ফারটাইল সাদৃশ্য আলোছায়ার ঋণাত্মক পুরুষ হয়ে যাচ্ছি । সমত্ব কথা ভাবতে কষ্ট থাকতে পারে না , কষ্ট আছে শ্মশানের পাশে বসে থাকার পর এক গুচ্ছ সমান্তরাল আলোক গুচ্ছ ভক্ষণ করার পর উত্তল রোদ খুঁজে বের করতে ।  স্ত্রী লিঙ্গ স্নায়ুতন্ত্রের ভেতর একটি জরায়ু খুঁজে বেড়াই , ছুটে যাই শুধু পোশাকের ভেতর থাকা ডলফিন রঙের লেগিংস বিউটি পার্লার , অ্যাবাকাস পোশাক মানে কি লাল নীল সবুজের সমারোহ । ছত্রাকের ভয়াবহ সঙ্গম দেখতে  ভয় লাগে আমার  , ছত্রাক কখনো বৃত্তাকার , কখনো লম্ব বৃত্তাকার প্রিজম । প্রতিবন্ধীদের বৃত্তচাপ বেড়ে উঠছে বটপাতার মতো

আমাদের ভেতর থাকা অবৈধ বৃশ্চিক রাশিজাত গোলকের ঘনত্ব কখনো মাপা হয় নাই ,  আমি নিজের ভেতর থাকা পদ্ম ফুলের ঘনত্বমাত্রার কথা মনে হলেই প্রতিদিন নদীর পাড়ে গিয়ে সব দেহ ফসল আলগা করে রেখে আসি অনুর্বর মাটির জন্য । মাটিকে সব কষ্টের কথা বলতে পারি , তার বুকে অজস্র কষ্ট কথা রাখি বলেই সে এমন অসংখ্য অযান্ত্রিক শিরাবিন্যাস নিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে যায় প্রতিদিন , রোদের মতো মাটির কোন নিজস্ব উপগ্রহ কথা থাকে না । মাটি আসলে নিজের ভেতর এক পরাবাস্তব অস্তিত্ব খুঁজে বের করানোর প্রকৃষ্ট পদ্ধতি  ,  আমার সারা গায়ে নীল গ্রহ আর শিবলিঙ্গ ছোঁয়ার আগেই আমার ভিতর এক অঙ্গুরীমাল গুটিয়ে বৃত্তাকার হয়ে যায় , অনুভূতি নেই , এক বীজপত্র সদৃশ্য কাঁচ ভাঙ্গা জানালার পাশ থেকে নিজেকে প্রতিদিন আহত করি ,  আহতের পর আমার আঙ্গুলগুলো রক্তাক্ত হয়ে ওঠে ,  রক্ত দেখতে আজকাল বড় ভয় করে না , মাঝে মাঝে লিউকোসাইট হীন রক্ত খেতে ভালো লাগে আমার ।  যারা উত্তর গোলার্ধের দিকে স্বভাব বিরুদ্ধ চুম্বকীয় কথা ফেলে মাথার ওপর অসুস্থ রক্তের থ্রম্বাস পাহাড়  জমা করে তারা আজ হঠাৎ করে জীবনমুখী গাইছে  ।

মুকুলদা ধীরে ধীরে পিরাসিটামের সমগ্র বাগান খেয়ে ফেলছে অথচ তার আঙ্গুলের ভেতরে থাকা আর কোন পাহাড় অবতল পথ ধরে সমরৈখিক হয়ে যাচ্ছে না কোন মতেই  , শরীরের ভেতর পেন্ডুলাম ঈশ্বর খুঁজে বেড়াচ্ছি প্রতিটি রাতে ,  এই আদিগন্ত সড়কপথ ফেলে মৃত্যুর চারাগাছ গুলো আবারও  দীর্ঘ হয় ,  আরো দীর্ঘ হয়ে যায় পরমাত্মা ,  সকলের জিভের তলায় কোন মাইটোকনড্রিয়ার গন্ধ নেই , অ্যড্রিনালিনের গন্ধ নেই ,  নিকোটিন জাতীয় অসুখ আমাকে আরো হাজারো পোশাকের গন্ধ মাখিয়ে দেয় ,  সকলেই অন্তর্বাস মিলে রাখে ঠিক জানালার পাশে । জানালার পাশে সকলেই মৃতদেহগুলো সব জমা করেছে ব্যবচ্ছেদের আগে , আমি সালফিউরিক দাঁতকে ভয় পাই , জানালার ভিতর থাকা অসংখ্য মানুষ কি করে চুল খোলা রেখে পরাবিদ্যা খায় , প্রতিফলিত আলোর দ্বিমাত্রিক কপাটিকা খায় , ত্রিমাত্রিক কপাটিকা খায়  , তারা সকলেই রক্তের উৎস ছেড়ে লিম্ফাটিক স্নায়ুতন্ত্র খুঁজে ফেরে ।  আমি আসলে নিমগ্ন হাফহাতা অন্তর্বাস মেলা পোশাক ।  ধীরে ধীরে নেমে যাই আরো এক গুচ্ছাকার সরিসৃপের দিকে , জানালা কখনো পরজীবী হতে পেরেছে কি ।  আমার মৃতদেহের ভেতর সকলেই একটা বুদ্ধপূর্ণিমা অপেক্ষা করে বসে আছে , বুদ্ধ পূর্ণিমা যেসকল মৃত্যুগুলোকে উপেক্ষা করে ধীরে ধীরে চলে যায় আমি তাদের কাছে এক আকাশ মৈথুন কল্পনা করি ,  কল্পনার সব পাহাড়ীয়া ঘোড়ারা আদিগন্ত মানুষ অথবা সসীম ও অসীম ভগ্নাংশের একটি ঝোপের পাশে কিছু অনুর্বর পাতাবাহার তুলে আনে । আমাদের বিসর্গ চিহ্ন গুলো রোজ নরমাল স্যালাইনের কুয়াশা জলবিন্দু খাচ্ছে  , আমার জ্ঞান ফেরেনি তখন ও


পাতাবাহারের কোন জন্মনিয়ন্ত্রক ঔষধ নেই । একটি চতুর্ভুজ রাস্তার পাশে আমি প্রতিদিন বিছানা অঙ্কন করি । এ জমির দৈর্ঘ্য সাড়ে তিনহাত নয় , আরো একটু অন্য পৌনঃপুনিক অথবা আবৃত দশমিক জল মেশানো , একটি জটিল গর্ভাশয়ের ভেতর যেতে ভয় করে আমার , ভয় বলতে বাঘনখ খোলা পাঞ্জাবির কথা বলছি । আমি ক্রমশ হারিয়ে ফেলি আমার পোশাকের অন্তঃস্থ অন্তর্বৃত্তের ক্ষতস্থান , ক্ষতস্থানে বলতে আসলে আমি শুধু নিজের কথা ভাবিনি । অদ্ভুত পোশাক ছাড়া আমাদের আর কোন দিন সহবাস ঘটেনি , সকলেই একটা সন্দেহপ্রবণ ভূকম্প স্থানে নিয়ে যায় । এখানে এলেই স্ত্রী লিঙ্গের আ- কার ওয়ালা জানালাগুলো ভেজা পোশাক পরে প্রতিদিন জল থেকে উঠে নতুন স্নানে যায় , সকলের মাথার কাছে একেকটি তুলসী পাতার বাগান আছে ,
আমি একটি নিজল দানা , আমি আর প্রাগৈতিহাসিক অস্ত্রকে ভয় পাই না , ভয় একটা দীর্ঘ অসুখ ,যে কেবল স্তব্ধতা ভেঙ্গে চলে যায় ।তার কোন দিক নির্দেশক থাকে না বলে , জাহাজটি একদিন জটিলতা ফেলে আরও অতলে চলে আসে । জাহাজটি নোনাচর থেকে চলে আসে কৃষ্ণচূড়ার সহবাস কেন্দ্রে , যেখানে খনিজ রাত উপুড় হয়ে বসে থাকে শুক্রবার অথবা শনিবারের লিঙ্গ চিহ্নের মতো ,  দুটি অক্ষত ঈশ্বর প্রতিদিন আমাদের সঙ্গম কথা মাফ করে দেন , আমি ভালোবাসি মাঠের কাছে বৈষ্ণব পদাবলী পড়তে ,  রাতে শুধু কংক্রিট রাস্তার উপরে বেড়িয়ে যাওয়া সাপের চলন দেখে অবাক হয়ে যাই , যারা একগুচ্ছ জটিল অন্ধকারের ভেতর আরো কিছু অন্ধকার খুঁজে বেড়ায় আলপথের নিচে , অন্ধকারের গুণফলটি সর্বদা সমাকলন জলে ডোবানো থাকে ।

মহাজন’ ধীরে ধীরে হারিয়ে যায় অলৌকিক অক্ষর চেতনার দিকে মুখ করে ,  আমি শুধু কামধেনু মানুষটির কথা ভাবি যার মুখ দিয়ে অশ্বারোহী সৈন্য বেরিয়ে আসে,  আমি কিভাবে সেই ক্ষত্রিয় পুরুষের বিরুদ্ধে লড়াই করে মৃত্যুর কাছে ঘুমিয়ে পড়ি ,  গভীর রাতে উঠে মৃত্যু আমাকে ডেকে তোলে , আমি ন্যাপকিন ব্যবহার করি । আমার নিজের বাম দিক , ডান দিক , আমার তলপেট আমার নাভি , আমার শুক্রাশয় আমার প্রোক্যারিওটিক , আমার দক্ষিণ মহাশিরা দেখে সকলেই নির্বাক নিশ্চুপ । আর কিছু ল্যাকেসিস খাওয়ার দৃশ্য ভৌগলিক অঙ্কবিশিষ্ট সমাঙ্গ দেহী উদ্ভিদ হঠাৎ করে বৈরাগ্য সকালের কথা মনে করাল  । নৈঋত ও লাল রঙের অন্তর্বাস আর কিছু নয় একটা বর্ণহীন ঘরে উদ্দাম সঞ্চয় কথা খুঁজে বেড়ানো । ধীরে ধীরে বিলীন রং মেখে নিজেকে উজাড় করে যে প্রতিচ্ছবি প্রতিবিম্ব তার কোন গোপনীয়তা নেই , আমি শুধু দেখেছি একটা অন্তর্বাস ধীরে ধীরে গোটা আকাশের মতো ঊভয়লিঙ্গ হয়ে থাকতে পারে । একগুচ্ছ মৃত নগরী ধীরে ধীরে তৃণভোজী থেকে পর্ণমোচী হয়ে যায় , আমি শুধু দৌড়াতে থাকা এক চূড়ান্ত খাদক  ।  আমার পঞ্চম জনুক্রমে একটি নগ্ন সন্ন্যাস  জন্ম নেবে।

আমার দাঁত আছে অথচ তাদের থেকে ধারালো আর কিছু যৌন সংক্রমণ নেই ,  মানুষকে অক্ষত না পাওয়ার পর আমার শরীর ঢেকে দেয় কেউ , আমি তার মৃত্যুর মুখ দেখে এক শৈশব পুরুষকে নিয়ে জটিল বৃত্তগুলোর ভেতর বসে ধীরে ধীরে আগুনের ছায়া নাটক কল্পনা করি  ।  আর কিছু নয়  অকৃতজ্ঞ মানুষের দল ও এক পঙক্তির সোডিয়াম বাই কার্বনেট  । রাতে সকলেই নিরক্ষরেখায় এসে ঘুমায় , এখন বড় উষ্ণতার দরকার , এখানে কষ্টিপাথর রাখা আছে  নিজেকে শুদ্ধিকরণের জন্য ।  ঈশ্বর প্রতিদিন পর্ণমোচী হয়ে উঠবেন ঈশ্বরময় বাগানে ,  নিজেই প্রতিদিন সরলবর্গীয় হয়ে উঠবেন ,  প্রতিদিন শৈলোৎক্ষেপ হয়ে উঠবেন , অথচ আমার কোন ক্যালকেরিয়া কার্ব নামক এক পিচ্ছিল ঔষধি বৃক্ষ থাকবে না , কেবল একটি  নীল রঙের সেবিকা একটি কাগজের চিরকুট লিখে লিখে দেবে ভাজাইনাল মাইসোপ্রোস্টাল কথা ।

সরবিট্রেট এস ও এস মানে প্রয়োজন মতো । মেথারজিন নামক এক রক্ততঞ্চনের এক নিশ্চল পাথর উপসর্গ বিষয়ক এক ব্যবস্থাপত্র । থ্রি ফিঙ্গার এক অনন্ত পরিধির মাপ । তা  হতে সময় লাগবে খানিকক্ষণ  , অপেক্ষা করুন নীল ভ্রুণ ,  তিনতলার একদম ডান দিকের ফাঁকা ঘরে শূন্যস্থান অ্যাক্টিভ রুমে দেখাবো কতগুলো অপ্রাসঙ্গিক বিকলাঙ্গ চোখ সমগ্রকে । তখন কোন এক সম্পাদক বলবেন কবিতার কোন মর্মার্থ নেই বলে সারাদিন ডাস্টবিনের গন্ধক দ্রব্য পুড়িয়ে খেতে ভালোবাসে এই সকল গাণিতিক কবিতার ক্ষেত্রফল । কোন রিংটোন নেই , নেট স্লো , সার্ভার ডাউন থাকলেই নীল ছবিগুলো অস্পষ্ট হয়ে যায় ।  পায়ের তলার ভূমধ্যসাগর কখন  ইন্দ্রপ্রস্থ হয়ে ওঠে বারানসি ঘাটে । বিসমিল্লাহ বাঁশি বাজাচ্ছে , আমি আর কোন বিষুব রাত খুঁজে পাচ্ছিনা ।
একটি সিলিং ফ্যানের ব্লেড বৃত্তাকার পরিসীমা ছাড়িয়ে কখনো পনসেটিয়ার চারাগাছ হতে পারছেনা কোনমতেই , কারণ তার মুখে রক্তস্নানের গন্ধ লেগে আছে , অনিয়মিত ঋতুচক্র

মিনি টগর ফুলের চারা আত্মহত্যা করতে জানতো ৩৬০° জলে দাঁড়িয়ে।

লেখা পাঠাতে পারেন

 

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *